ছবি - বিপ্রতীক২৪.কম ।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য পুরাকীর্তি

১৭ শতকে ব্রাক্ষণদের তৈরী একটি আসাধারণ স্থাপনা – কোদলা মঠ

কোদলা মঠ ১৭ শতকে ব্রাক্ষণদের তৈরী একটি আসাধারণ স্থাপনা। সময়ের স্রোতে এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হারিয়েছে তার জৌলুস। বাগেরহাট জেলার প্রায় ১০ কি মি উত্তরে বারুইপাড়া ইউনিয়নের আযোধ্যা নামক ছোট্ট গ্রামে ভৈরব নদীর পুর্ব তীরে এর আবস্থান। দেখতে আর দশটা হিন্দু মঠের মত না হলেও ধারণা করা হয় এটি হিন্দু ধর্মালম্বীদের মঠ হিসেবে ব্যবহৃত হত। কোদলা মঠের আরও একটি নাম আছে, তা হল আযোধ্যার মঠ।


moth 2এটি চারকোণা ভূমির উপর স্থাপিত একটি উঁচু স্থাপনা যার উচ্চতা ১৮ মিটারের বেশী। এর তিনদিকে তিনখানা দরজা আছে। এর বাইরের দেয়াল পোড়ামাটি বা ইটের তৈরী, যার নকশাগুলো আনুভূমিক রেখার কারুকাজ মন্ডিত। মঠের উপর হতে নীচ পর্যন্ত আনুভূমিক রেখাগুলো ব্যবধান এক ফুটের মত। দেয়ালের বাইরের দিকে ২-৩ টি টেরাকোটা রয়েছে যা স্থাপনাটকে খুব সম্ভবত হাতির আকার প্রদান করেছিল।
প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এই মঠের নকশাদেখে প্রত্নতাত্বিকদের ধারণা ১৬ বা ১৭ শতকে এই মন্দিরটি “সিকারা নকশা” য় তৈরী করা হয়। প্রায় একই ধরণের আকৃতির আরও দুটি স্থাপণা হল- মথুরাপুর দেওল, ফরিদপুর এবং মালিহারা মঠ, বাকেরগঞ্জ, যাদের স্থাপত্যকাল ও ১৭ শতকে বলে ধারনা করা হয়।
কিভাবে যাবেনঃ
বাগেরহাট বাসষ্ট্যান্ড হতে ব্যাটারীচালিত গাড়িতে করে প্রথমে যাত্রাপুর বাজার, এরপর অন্য একটি গাড়িতে করে পৌছে যাবেন কোদলা মঠ।
কোথায় থাকবেনঃ_Kodla_moth
যদিও এ এলাকা আবাসিক হোটেল এর সংখ্যা সীমিত তবুও কিছু স্থানে বিশেষ প্রয়োজনে রাত্রিযাপন করতে পারেন।
১। মমতাজ হোটেল (রেল রোড, বাগেরহাট)
২। হোটেল জালিকো ( ৭৭ জলিল টাওয়ার, লোয়ার যশোর রোড,খুলনা-৯১০০)
৩। হোটেল আল-প্রিন্স এন্ড বার (মংলা বন্দর, বাগেরহাট,খুলনা)

  • সজিব জোবায়েদ,
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্য ডেস্ক, বিপ্রতীক২৪.কম ।
Print Friendly
test