ছবি : বিভাস
top bar news আলোচিত সংবাদ ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংবাদ শিরোনাম

হার্ডিঞ্জ সেতুর নির্মাণকালীন প্রথম অফিস ভবনটি আজও টিকে আছে

১৯১০ সালে ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ সেতু নির্মাণ শুরু হলে সর্বপ্রথম কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্মাণ করা হয় একটি অফিস ভবন। যে ভবনটিতে বসতেন তৎকালীন পৃথিবীর প্রকৌশল জগতের দুইজন দিকপাল প্রকৌশলী স্যার রবার্ট রিচার্ড গেলস্ ও স্যার ফ্রান্সিস স্প্রিং।


প্রমত্ত পদ্মাকে সুনির্দিষ্ট গতি পথে পরিচালনার জন্য নদী শাসনের দায়িত্বে ছিলেন ফ্রান্সিস স্প্রিং ও মূল সেতু তৈরির দায়িত্বে ছিলেন আর. আর. গেলস।


পাকশী রেলওয়ে কন্ট্রোল অফিসের পশ্চিম পাশে প্রায় ২৫ ইঞ্চি পুরু দেয়াল বিশিষ্ট যে ভবনটি এখোন টিকে আছে সেটিই ছিল হার্ডিঞ্জ সেতু নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনার প্রথম অফিস। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হলে, ব্রিজের সরঞ্জাম রাখার বিশাল বিশাল গুদাম ঘর গুলোকেই পরবর্তীকালে রেলওয়ের বিভিন্ন অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেগুলো আজও কালের সাক্ষী হিসেবে তার অস্তিত্ব রক্ষা করে চলেছে। এ অফিস চত্বরে এক সময় তাপ ও বৃষ্টি পরিমাপক যন্ত্র ছিল সেগুলো পাকশীর ঐতিহ্য ধ্বংসকারী কিছু কর্মকর্তা পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে স্থাপন করেছেন। হার্ডিঞ্জ সেতু নির্মাণকালীন সময়ের অনেক স্থাপনাই আজ প্রায় ধ্বংসের পথে। প্রায় একশো বছরের ঐতিহ্য বহনকারী এ স্থাপনা গুলো রক্ষা করা আমাদের একান্ত দায়িত্ব। কেননা আগামী প্রজন্মের কাছে এগুলোই হবে মূল্যবান প্রত্ন সম্পদ।

  • অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য ডেস্ক, বিপ্রতীক২৪.কম ।
test