ছবি : সবুজ পাওয়ার
top bar news ইতিহাস ও ঐতিহ্য সারা প্রান্তর

বৃটিশ আমলের নিদর্শন পাকশীর খেলার মাঠ

মোহন বাগান, মোহামেডান ও ফুটবলের যাদুকর সামাদের স্মৃতিধন্য পাকশীর ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠটি আজ অযত্নে অবহেলায় জীর্ন প্রায়।


১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জ সেতু উদ্বোদনের পর পাকশীতে রেলওয়ের অফিস আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের আবাসনের জন্য তৈরি করা হলো বাসা বাড়ি। এবং তাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো স্কুল। ঐ বছরই তাদের খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টির জন্য ফুটবল মাঠ তৈরি করা হলো রেল অফিসের দক্ষিন দিকে।


সেই সময়ই মাঠটি তৈরি করা হয়েছিল অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে। বেলে মাটি, কয়লা গুড়ো, কুচি পাথর দিয়ে বিভিন্ন স্তর তৈরি করে তার ওপর মাটির স্তর দিয়ে ঠিক কচ্ছপের পিঠের মত মাঝখানে উচু ও চারপাশে ঢালু করে তৈরি করা হয় মাঠটি। শোনা যায় সেই সময় বার্জে করে কোলকাতা অঞ্চল থেকে মাঠের উপরের স্তরের জন্য মাটি আনা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত মাঠের মাঝখানে পানি দাড়াতে পারেনা। কিন্তু সম্প্রাতি রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে খেলার মাঠাটির চারপাশে বর্ষা মৌসুমে পানি জমতে শুরু করেছে। এ মাঠে বিভিন্ন সময় খেলতে আসেন কোলকাতার মোহন বাগান, মোহামেডানের খেলোয়াড়রা। এক সময় ফুটবল যাদুকর সামাদ এ মাঠে নিয়মিত খেলতেন।

  • অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য ডেস্ক, বিপ্রতীক২৪.কম ।
test