ছবি - বিপ্রতীক২৪.কম ।
অপরাধ জগত সংবাদ শিরোনাম

অভিজিৎ হত্যার প্রতিবেদন শিঘ্রই: ডিএমপি কমিশনার

বিজ্ঞান লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার তদন্ত ‘চুড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, শিঘ্রই আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। মঙ্গলবার বাংলা একাডেমিতে অমর একুশে গ্রন্থমেলার নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তদন্ত শেষ পর্যায়ে। আমরা শিগগিরই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেব।”


হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত ও শনাক্ত করা হয়েছে জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “এ ঘটনায় সন্দেহভাজন আটজনকে গ্রেপ্তার করেছি, মূল আসামি মুকুল রানা খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। বাকিদেরও খুব শিগগিরই গ্রেপ্তার করা যাবে বলে আশা করছি।”
দুই বছর আগে একুশে বইমেলা চলাকালেই বইমেলা থেকে মাত্র কয়েকশ গজ দূরে ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের টিএসসির কাছে ফুটপাতে কুপিয়ে হত‌্যা করা হয় অভিজিৎ রায়কে। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে স্ত্রী বন‌্যা আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে মেলা থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই আক্রান্ত হন অভিজিত; বন্যাও হামলার শিকার হয়ে একটি আঙুল হারান। অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে মুক্তমনা ব্লগসাইট পরিচালনাকারী অভিজিৎ থাকতেন যুক্তরাষ্ট্রে। লেখালেখির কারণে জঙ্গিদের হুমকিতে থাকার মধ্যেও গত বছর বইমেলার সময় স্ত্রীকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি।
অভিজিতের বাবা ওই ঘটনার পর শাহবাগ থানায় যে মামলা করেছিলেন, গত দুই বছরে তার প্রতিবেদন জমা দিতে ১৫ বার সময় বাড়িয়েছে তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মামলার তদন্তকারী এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ঘটনায় সঙ্গে সরসরি যুক্ত কয়েকজনকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। “আমরা আটজনকে সাসপেক্ট হিসেবে গ্রেপ্তার করেছি। আরও পাঁচ জন মাঠপর্যায়ে এই হত্যায় যুক্ত ছিল, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

  • অপরাধ জগত ডেস্ক, বিপ্রতীক২৪.কম।
Print Friendly
test